ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২১ সালে ইউনিট ভিত্তিক আবেদন করার নূন্যতম যোগ্যতা

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের যোগ্যতা

যাদের কোন সাবজেক্টে বি গ্রেডের কম আছে, অর্থাৎ সি ও ডি গ্রেড আছে এবং এস এস সি ও এইস এস সি রেজাল্ট সাইন্স ও কমার্সের শিক্ষার্থীদের যদি ৩.৫ এর উপরে আলাদা ভাবে থাকে তাহলে তারা নিজেদের স্ব স্ব ইউনিটে পরীক্ষা দিতে পারবে।

ক-ইউনিট (বিজ্ঞান বিভাগ)

বিজ্ঞান ও কৃষিবিজ্ঞান শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বাের্ডের বিজ্ঞান শাখায় আলিম ও IGCSE/O Level এবং IAL/GCE A Level পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএদ্বয়ের যােগফল ন্যুনতম ৮.০ আছে তারা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। তবে কোন পরীক্ষাতে ৩.৫ এর কম জিপিএ থাকলে আবেদন করতে পারবেন না।

খ-ইউনিট (মানবিক বিভাগ)

মানবিক শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বাের্ডের  উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যােগফল ন্যূনতম ৭.০ আছে তারা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। তবে কোন পরীক্ষাতে ৩.০ এর কম জিপিএ থাকলে আবেদন করতে পারবেন না।

গ-ইউনিট (ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ)

ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক, ডিপ্লোমা-ইন-বিজনেস স্টাডিজ, ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স ও বিজনেস ম্যানেজমেন্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যােগফল ন্যূনতম ৭.৫ আছে তারা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। তবে কোন পরীক্ষাতে ৩.৫ এর কম জিপিএ থাকলে আবেদন করতে পারবেন না।

উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ডিপ্লোমা-ইন-বিজনেস স্টাডিজ, ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স ও বিজনেস ম্যানেজমেন্ট শাখা থেকে আগত প্রার্থীদের একাউন্টিং বিষয়টি অবশ্যই থাকতে হবে এবং উক্ত বিষয়ে ন্যূনতম বি-গ্রেড (গ্রেড-পয়েন্ট ৩.০) হতে হবে।


ঘ-ইউনিট ( সমন্বিত কিভাগ)
  • মানবিক শাখার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক এবং মদ্রাসা শিক্ষা বাের্ডের মানবিক শাখায় আলিম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ যে সকল প্রার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যােগফল ন্যূনতম ৭.০ (মাধ্যমিক/সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.০ থাকতে হবে) আছে তারা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।
  • বিজ্ঞান, কৃষিবিজ্ঞান, গার্হস্থ্য অর্থনীতি এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বাের্ডের বিজ্ঞান শাখা থেকে আগত যে সকল প্রার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যােগফল ন্যূনতম ৮.০ (মাধ্যমিক/সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.৫ থাকতে হবে) আছে তারা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।
  • ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক, ডিপ্লোমা-ইন-বিজনেস স্টাডিজ, ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স ও বিজনেস ম্যানেজমেন্ট শাখা থেকে আগত প্রার্থীদের মধ্যে যাদের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যােগফল ন্যূনতম ৭.৫ (মাধ্যমিক/সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.৫ থাকতে হবে) আছে কেবল তারা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় কোন বিষয়ে বি-গ্রেড (গ্রেড পয়েন্ট ৩.০) এর নিচে আবেদন গ্রহণযােগ্য হবে না।।

চ-ইউনিট (চারুকলা বিভাগ)

উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষার যে কোন শাখায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যােগফল ন্যূনতম ৬.৫ আছে তারা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। তবে কোন পরীক্ষাতে ৩.৫ এর কম জিপিএ থাকলে আবেদন করতে পারবেন না।

সুতরাং কারও যদি দূর্ভাগ্যবশতও গ্রেড পয়েন্ট SSC অথবা HSC তে ৩.৫ এর নিচে আছে তাদের আর কোন ভয় নেই। তোমরা নিজেদের ইউনিটে পরীক্ষা দিতে পারবে শুধু ঘ ইউনিট বাদে।

বিসিএস লিখিত ও প্রিলির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৪৫ টি প্রবাদ। এখনই পড়ে নিন

 

বিসিএস লিখিত ও প্রিলির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৪৫ টি প্রবাদ। এখনই পড়ে নিন।
১. খাঞ্জা খাঁ - নবাবী চালচলন, দিলদরিয়া ভাব।
২. খর দজ্জাল - প্রচণ্ড অত্যাচারী
৩. কুরুক্ষেত্র কাণ্ড - ভীষণ ঝগড়াঝাটি
৪. কালনেমির লঙ্কাভাগ - মাত্রাতিরিক্ত আশা করে নিরাশ হওয়া
৫. শাঁখের করাত - উভয় শঙ্কট
৬. শাপে বর - অনিষ্টের মধ্যে ইষ্ট লাভ
৭. শিখণ্ডী খাড়া করা - অাড়াল থেকে অন্যায় কাজ করা
৮. শিবরাত্রির সলতে - একমাত্র সন্তান বা বংশধর
৯. শ্যাম রাখি না কুল রাখি - দোটানায় পড়া
১০. পিপুফিশু - বড় কুঁড়ে বা অতিরিক্ত অলস।
১১. মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন - প্রাণপণে সংকল্প সিদ্ধ করা
১২.ন ভূতং ন ভবিষ্যতি - অভূতপূর্ব
১৩. হবুচন্দ্র রাজার গবুচন্দ্র মন্ত্রী - নির্বোধের দৃষ্টান্ত
১৪. পর্বতের মূষিক প্রসব - বিরাট আড়ম্বরের তুচ্ছ পরিণতি
১৫. নাল্পে সুখমস্তি - অল্পবস্তুতে সুখ নেই
১৬. ধনুর্ভঙ্গ পণ - অতি কঠোর ও সাংঘাতিক প্রতিজ্ঞা
১৭. ধর লক্ষণ - পরিপূর্ণভাবে পরিষ্কার নির্দেশ ছাড়া কোন কাজে হাত দেয়না এমন
১৮. ধুন্ধুমার কাণ্ড - তুমুল কাণ্ড, প্রচণ্ড কোলাহল
১৯. নারাণাং মাতুলক্রম - মানুষ মাতুল বা মামার অনুসরণকারী
২০. পাততাড়ি গুটানো - পালিয়ে যাওয়া, চম্পট দেয়া, কাজ সেরে চলে যাওয়া বা সরে পড়া।
২১. কাঁটার মুকুট - বেদনা দায়ক সম্মান
২২. জড় ভরত - নিষ্কর্মা
২৩. রামভক্ত হনুমান - একান্ত অনুগত ব্যক্তি
২৪. বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে? - প্রস্তাব দেয়া সহজ, কার্যকর করা ঢের কঠিন
২৫. অগস্ত্য যাত্রা - চির বিদায়
২৬. লাগে টাকা দেবে গৌরী সেন - পরের টাকার অপব্যয়
২৭. গৌরচন্দ্রিকা - ভূমিকা
২৮. অভাগা যেদিকে যায় সাগর শুকায়ে যায় - সর্বক্ষেত্রে ব্যর্থতা
২৯. লক্ষ্মণের গন্ডি - চূড়ান্ত সীমারেখা
৩০. হরিঘোষের গোয়াল - কর্মবিমুখ মানুষের অাড্ডাখানা
৩১. অতি মন্থনে বিষ ওঠে- একটি বিষয়ে মাত্রাতিরিক্ত অালোড়ন ক্ষতিকারক।
৩২. অজার যুদ্ধে অাঁটুনি সার - লঘু ফলাফলযুক্ত অাড়ম্বরপূর্ণ অায়োজন।
৩৩. ফেউলাগা - কারো পেছনে লেগে ক্রমাগত বিরক্ত করা।
৩৪. পান্তা ভাতে ঘি / বাপের বাড়ি ঝি নষ্ট - অকারণে বিনষ্ট।
৩৫. পোয়া বারো - অতিরিক্ত সৌভাগ্য।
৩৬. ধনুর্ভঙ্গ পণ - অতি কঠোর ও সাংঘাতিক প্রতিজ্ঞা।
৩৭. ধর লক্ষণ - পরিপূর্ণভাবে পরিষ্কার নির্দেশ ছাড়া কোন কাজে হাত দেয়না এমন।
৩৮. ধুন্ধুমার কাণ্ড - তুমুল কাণ্ড, প্রচণ্ড কোলাহল।
৩৯. নারাণাং মাতুলক্রম - মানুষ মাতুল বা মামার অনুসরণকারী।
৪০. পাততাড়ি গুটানো - পালিয়ে যাওয়া, চম্পট দেয়া, কাজ সেরে চলে যাওয়া বা সরে পড়া।
৪১. ত্রিশঙ্কু অবস্থা - অনিশ্চিত
৪২. দিল্লি দূর অস্ত - এখনও অনেক পথ বাকি
৪৩.অন্ধ ধৃতরাষ্ট্র - স্নেহাসক্ত ব্যক্তি
৪৪. মাছি মারা কেরানি - অন্ধ অনুকরণ
৪৫. জতুগৃহ - অগ্নি সুরক্ষা সুনিশ্চিত নয় এমন বাড়ি

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ২০২১ জেনে নিন


 

Admission Update ▒█
ভর্তি পরিক্ষার সম্ভাব্য তারিখসমূহ......
➡️ঢাবি- (ক-২১)মে,(খ-২২মে),(গ-২৭মে),(ঘ-২৮মে),(চ-৫জুন)।
➡️কৃষি গুচ্ছ(৭ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়) - ২৯ মে।
➡️জাবি- ৩ জুন থেকে ২০ জুন(১৯ জুন ছাড়া)।
➡️বুয়েট- ১০ জুন।
➡️প্রকৌশল গুচ্ছ (রুয়েট,চুয়েট,কুয়েট)- ১২ জুন।
➡️সাধারন + বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (GST) গুচ্ছ- [২০ বিশ্ববিদ্যালয়] - ১৯ জুন, ২৬ জুন ও ১০ জুলাই তিন দিনে তিন ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা হবে।
★পরিবর্তন হতে পারে

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার জন্য বাংলা, ইংলিশ,জিকে কিভাবে পড়তে হবে এখনো বুঝতে পারছো না?

 

বাংলা, ইংলিশ,জিকে কিভাবে পড়তে হবে এখনো বুঝতে পারতেছোনা?
✅-পড়াশোনা তেমন কিছুই হয়নি এতোদিন, তাই চিন্তিত,নতুন করে শুরু করতে চাও প্রানপনে?
♣-কোচিং করোনা,দারিদ্রতাই ভুগছো,বাড়িতে
একা একা কিভাবে পড়তে বুঝতে পারতেছোনা?
🌠-এ বা সি ইউনিটের প্রিপারেশন বাদ দিয়ে ডি তে প্রিপারেশন নিতে চাও?
🔵তাহলে এ পোষ্টটা তাদের জন্য..
পোষ্টটা সময় নিয়ে পুরাটা পড়লে ইনশাআল্লাহ
তুমি তোমার সমাধান পাবা।
🔯এখনো যাদের পড়াশোনা হতাশাজনক বা এখনো তেমন পড়াশোনা শুরু করোনি তাদের
সব শেষ হয়ে যায়নি।এখনো বাকি দুই-অাড়াই মাস শেষ চেস্টা করলে চান্স পাওয়া সম্ভব।তবে সেক্ষেত্রে অবশ্যই তাকে আগের মত পড়াশোনা করলে চলবেনা,নিজেকে পরিবর্তন করতে হবে।ঢাবিতে চান্স পাওয়ার স্বপ্ন নিয়ে নিজেকে সর্বোচ্চ সিরিয়াস হতে হবে।
◼তুমি বিভিন্ন সমস্যার কারনে কৌচিং করতে পারছোনা,বাড়িতে বসে প্রিপারেশন নিচ্ছো,
তাই বলে আমার দ্বারা হবে না এমন ভাবার কিছু নেই।এই গ্রুপটাতে যে গাইডলাইন দেওয়া হয় তা অনুসরণ করলে,যারা কৌচিং করতে পারছোনা
তাদের সমস্যা হওয়ার কথা না।এ পোষ্টটা পড়লে
বাকি ডিটেলস জেনে যাবে।
♦এখন আর আড়াই মাসের মতো আছে।প্রতিদিন ১০ ঘন্টা করে নিচের পদ্ধতি অনুসরন করে পড়লে তুমি পারবে ইনশাআল্লাহ!
♠এরজন্য প্রথমে তুমি একটা প্রশ্নব্যাংক কিনে নাও।তোমার পরীক্ষা দেওয়ার আগে জানতে হবে কেমনে প্রশ্ন আসে।আর সেটা প্রশ্নব্যাংক দেখে বুঝতে পারবে।এরফলে কোনগুলা বেশি গুরুত্ব দিতে হবে,কোনগুলো না পড়লেও চলবে বুঝতে পারবে।মনে রাখবে, "যার কি ধরণের প্রশ্ন আসে সে সম্পর্কে ধারনা আছে,তার অর্ধেক বই না পড়লেও চলে।
⚫তাছাড়া প্রশ্নব্যাংক পড়ার আরেকটা লাভ হলো পরীক্ষায় প্রশ্নব্যাংক থেকে প্রায় সেম টু সেম প্রশ্ন না আসলেও একই প্রশ্ন একটু ঘুড়িয়ে পেচিয়ে আসে,যা তোমরা প্রশ্নব্যাংক সলভ করলে সহজেই উত্তর করতে পারবে।
তো বুঝতেই পারছো কতোটা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নব্যাংক।
প্রশ্নব্যাংকের জন্য তোমরা #ইউনিক_ভার্সিটি_সলুশন দেখতে পারো বেস্ট হবে। তাছাড়া এই বইয়ে ১৫টা ভার্সিটির প্রশ্ন একসাথে দেওয়া অাছে।
🔴এবার আসি মূল কথায়।
বি ও ডি ইউনিটে পরীক্ষা হয় বাংলা, ইংলিশ আর জিকেতে......
🔷বাংলা আর জিকে তেমন ব্যাপার না।
আসল খেলা হয় ইংলিশে।
ইংলিশে ভালো মানে চান্স নিশ্চিত।

🔶আসো কিভাবে প্রতিদিন পড়বে বলে দিচ্ছি
ধরে নিচ্ছি তুমি প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ঘন্টা পড়ো।
তাহলে,
🔽অাজকে অালোচনা করবো বাংলা নিয়ে:
বাংলাকে তুমি ১০ ঘন্টার মধ্যে সময় দিবে ৩.০০ ঘন্টা।এখন ১০ ঘন্টার চেয়ে বেশি পড়তে পারলে
সময় আরো বাড়াবে।কম পড়লেও তেমনি।তবে
এসময় ১০ ঘন্টার চেয়ে নিচে পড়ে চান্স পাওয়াটা ঝূকিপূর্ণ।
★বাংলাকে চারটা পার্টে ভাগ করবা। যেমন,
১.বাংলার গদ্য এবং পদ্য
২.বাংলা গ্রামার
৩.বিরচন (মুখস্থ অংশ)
৪.প্রশ্নব্যাংক পর্যালোচনা।
১.বাংলা গদ্য এবং পদ্যঃ
★প্রশ্নঃকয়টা প্রশ্ন আসে?
বাংলা গদ্য এবং পদ্য থেকে সাধারনত ৭-৮টা প্রশ্ন আসে।কিরকম প্রশ্ন আসে তা প্রশ্নব্যাংক
পর্যালোচনা করলেই বুঝতে পারবা।
★কিভাবে পড়বো?
এজন্য বইয়ের প্রত্যেকটা লাইন ভালোভাবে বুঝে
পড়বা।শুধু রিডিং পড়ে গেলে কোন ফায়দা নেই।
তথ্যবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ লাইনগুলো বারবার পড়বা।আর লেখকের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য,শব্দার্থ,টীকা,সমার্থক শব্দ,বিপরীত শব্দ ইত্যাদিগুলোতে মনোযোগ দিবা।
গল্পে বা কবিতায় ফুল,ফল,নদী,গাছ,পোকা,পাখি,মাছ,বা গল্পের বিশেষ শব্দগুলো ইত্যাদি কি কি আছে আর কতগুলো আছে তা ভালোভাবে লক্ষ্য করে পড়বা।পারলে নোট করে নিবে।আর কবির জন্মমৃত্যু যদি মনে না থাকে এটা বাদ দাও,
প্রশ্ন আসেনা বললেই চলে।
এবার প্রশ্ন, বাংলা সাহিত্যে প্রতিদিন কতটুকু পড়বো? কতমিনিট?
প্রতিদিন ১ টা গদ্য অথবা একটা পদ্য।
অর্থাৎ একদিন পদ্য পড়লে অন্যদিন গদ্য।
আর এরজন্য সময় নিবে মাত্র ১ ঘন্টা।
আমার মতে এই ১ঘন্টা পদ্য শেষ করা সহজ।
কিন্তু অধিকাংশ গদ্য(গল্প) অনেক বড় বিধায় শেষ করা সম্ভব নাও হতে পারে।সেক্ষেত্রে গদ্যকে অংশে ভাগ করে পড়বে।
(খ)বাংলা গ্রামারঃ
★কতটি প্রশ্ন আসতে পারে?
বাংলা গ্রামার থেকে প্রশ্ন আসে প্রায় ৮-১০ এর মতো।কি রকম প্রশ্ন আসে তা জানতে প্রশ্নব্যাংক দেখো।
★কি কি টপিকস থেকে প্রশ্ন আসে?
(★★★ (3 star) গুলা বেশি গুরুত্বপূর্ণ)
♥♥ব্যাকরণিক অংশ♥♥
-----------------------
★বাক্যের শ্রেণীবিভাগ
★★★বাক্য প্রকরণ
★ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয়
★★★বিরাম চিহ্ন ও ব্যাকরণিক চিহ্ন
★বাচ্য
★ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ ও উচ্চারণবিধি
★★★ধ্বনি পরিবর্তন
★দ্বিরুক্ত শব্দ
★কারক ও বিভক্তি
★ক্রিয়া পদ
★★ক্রিয়ার কাল
★★★ণত্ব ও ষত্ব বিধান
★অনুসর্গ
★পদ প্রকরণ
★বচন
★পদাশ্রিত নির্দেশক
★প্রকৃতি-প্রত্যয়
★★পুরুষ ও স্ত্রী বাচক শব্দ
★শব্দের শ্রেণীবিভাগ
★★সমাস
★★★সন্ধি
★সংখ্যাবাচক শব্দ
★উক্তি পরিবর্তন
★★★উপসর্গ
★ভাষা, বাংলা ভাষা ও বাংলা ভাষারীতি
★কতটুকু সময় দিবো দৈনিক?
এসে গেলাম সবচেয়ে কঠিন জিনিসটা বলতে।
এর জন্য দৈনিক ১ঘন্টা সময় বরাদ্দ করবে ১০ ঘন্টার পড়ায়।একদিনে একটা গ্রামাটিক্যাল টপিকস শেষ না হলে কয়েকদিনে ভাগ করে শেষ করো।
★কিভাবে পড়বো?
গুরুত্বপূর্ণ টপিকসগুলো প্রথমে শুরু করো। টপিকস বাছাই করো।প্রথম থেকে নিয়ম বুঝে বুঝে পড়া শুরু করো।না বুঝলে আবার পড়ো।বারবার মনোযোগ দিয়ে পড়লে আই বিলিভ তুমি বুঝতে পারার কথা।তাও যদি না পারো তাহলে সর্বশেষ কারো সাহায্য নাও।
✅আসলে আমরা, প্রথমেই চেষ্টা করার আগেই চাই কেউ গিলিয়ে দিক,নিজে নিজে বুঝার চেষ্টা করিনা,অথচ একান্তভাবে নিজে চেষ্টা করলে মনুষ্যজাতির ব্রেণে খুব কম জিনিসই না বুঝার আছে।
পড়ার সময় উদাহরনগুলো দেখে নিবে আর নিয়মের সাথে উদাহরনের লিংক খুজে বের করে
সেটা মাথায় সেট করে রেখে দিবে।
আর এটাই হলো ব্যাসিক।এই জিনিসটা পরীক্ষার হল পর্যন্ত নিতে পারলে কেল্লাফতে।
❇আর হ্যা, যদি ব্যাকরনের কোনো টপিকস একেবারেই মাথায় না ডুকে,আর ভাবেন কস্মিনকালেও আর বুঝা সম্ভব না,তাহলে আল্লাহর ওয়াস্তে সেগুলো ছেড়ে দিবেন গুডবাই বলে।
এই না পারা কয়েকটা টপিকসের জন্য হয়তো সর্বোচ্চ রেজাল্ট হবেনা, তবে এগুলোর জন্য যাতে "দূর কিচ্ছু বুঝিনা,কিচ্ছু পারিনা,আমার দ্বারা হবেনা"এই বলে একেবারেই হতাশ হওয়ার চেয়ে ছেড়ে দিয়ে অন্য পারা টপিকসগুলোতে বেশি মনোযোগ দিন,যাতে ঔগুলাতে মিস না হয়।আমি নত্ব-ষত্ব বিধান,বানান শুদ্ধিকরন আর ১-২ টা বাদ দিয়েছিলাম।😊😊
(গ) বিরচন অংশঃ
★কতটি প্রশ্ন আসে?
৬-৮ টি প্রশ্ন আসে "সাধারনত" এ টপিকস থেকে।
★কি কি টপিকস আছে বিরচন অংশে?
♥বাগধারা
♥এক কথায় প্রকাশ
♥বিপরীত শব্দ
♥সমার্থক শব্দ
♥শুদ্ধি-অশুদ্ধি
♥সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ
★কতটুকু সময় পড়তে হবে?
৪৫ মিনিট করে পড়তে পারো ১০ ঘন্টার বরাদ্দে।
★পড়ার সিস্টেম
২ টা সিস্টেমে পড়তে পারো
(১)একদিন একটা করে টপিকস পড়বে।
কোনদিন কোন টপিকস পড়বে রুটিন করে নিও...
(২)অথবা প্রতিদিন সবগুলো টপিকস থেকে ১০ টা করে পড়বা।অর্থাৎ বিপরীত শব্দ, সমার্থক শব্দ ইত্যাদি সবগুলো বিরচনের টপিকস
থেকে প্রতিদিন প্রত্যকটি থেকে ১০ টি করে পড়বা।
★কিভাবে পড়বে?
এগুলা মূখস্থের বিষয়।প্রথম প্রথম পড়তে অসহ্য লাগবে,পড়লে মনে থাকবেনা।চিন্তা করার কিছু নেই। কয়েকবার করে পড়বে।বারবার রিভিশন দাও।কয়েকদিন পর তুমি বস।
★বুক সাজেস্টঃ বাংলার যে বিষয়গুলো অালোচনা করলাম তার সবকিছুই তোমর #বাংলা_পাওয়ার বইয়ে পাবে। বইটিতে প্রতিটি বিষয় খুব সুন্দরভাবে সাজানো-গোছানো অাছে।
(ঘ)প্রশ্নব্যাংক পর্যালোচনাঃ
প্রতিদিন ১৫ মিনিট সময় দিয়ে কমপক্ষে একটা বিগত সালের প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ সমাধান করবে।
🔵পোষ্টটা একবার না বারবার পড়ো।
পড়তে পড়তে মাথায় পুরো বিষয়টা ঢুকিয়ে নাও আর পড়ার সময় কাজে লাগাও।এভাবে পড়লে ইনশাআল্লাহ চান্স পাবে। এখানে সবচেয়ে সহজভাবে তোমাদের বুঝানো হয়েছে বাংলা নিয়ে।তারপরও না বুঝলে কমেন্টবক্স বা মেসেজে জানাতে পারো।

গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার জন্য আইসিটি (ICT) গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো পড়তে হবে.?

 

অনেকেই আমাকে প্রশ্ন করো যে গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার জন্য আইসিটি কোন কোন টপিকগুলো পড়তে হবে.?
❇এখানে বলতে গেলে এডমিশন টেস্টের জন্য সব গুলো টপিক পড়া উচিত কেননা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরিক্ষায় কোত্থেকে প্রশ্ন আসে কেউ বলতে পারবে না।
তবে যে টপিক বা চ্যাপ্টার গুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেগুলো সম্পর্কে আলোচনা করবোঃ
◼প্রথম অধ্যায় থেকে তোমাকে অবশ্যই
1)বিশ্বগ্রাম কি,
a)ভিডিও কনফারেন্সিং এর কার্যাবলী ও সুবিধা/অসুবিধা পড়তে হবে।
b)কর্মসংস্থান-আউটসোর্সিং।
c)ই-কমার্স-এর বিস্তারিত পড়তে হবে।
🔷️দ্বিতীয় অধ্যায়:
a)ব্যান্ডউইথ কি ও 9.6 kbps , সিপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোড(হাফ ও ফুল-ডুপ্লেক্স)।
b)ক্যাবল কানেক্টর(টুইস্টেড-RJ-45,কো-এক্সিয়াল-BNC, ফাইবার অপটিক-ST), কো-এক্সিয়াল
c)ফাইবার অপটিক
d)PAN, LAN ও MAN
e)হটস্পট(ব্লুটুথ, ওয়াই-ফাই), মডেম, মডুলেশন, রাউটার, রিপিটার, হাব ও সুইচ
f)হাব ও সুইচের মধ্যে পার্থক্য, টপোলজি(**স্টার-সুবিধাসমূহ, *রিং-অসুবিধাসমূহ)।
🔶তৃতীয় অধ্যায়:
a)LSB ও MSB এর পুর্ণরূপ।
b)রূপান্তর(বাইনারি/ডেসিমাল<=>অক্টাল/হেক্সাডেসিমাল), **ভিন্ন সংখ্যা পদ্ধতির দুইটি সংখ্যা যোগ বা তুলনা(প্রথমে সংখ্যা দুইটিকে একই সংখ্যা পদ্ধতিতে নিতে হবে তারপর যোগবা তুলনা করতে হবে), ২ এর পরিপূরক কি ও এর গুরত্ব, BCD-8421 কোড, *বুলিয়ান ফাংশনের সত্যক সারণি, বুলিয়ান ফাংশন
c)সরলীকরণ ও শুধুমাত্র NOR/NAND গেইট দিয়ে অংকন, ফ্লিপ-ফ্লপ, *রেজিষ্টার, এনকোডার, ডিকোডার ।
⚫চতুর্থ অধ্যায়:
a) tag, HTML, www, http, URL, IP address কি।
b)স্ট্যাটিক ও ডাইনামিক ওয়েবসাইটের সুবিধা ও অসুবিধা।
c)ওয়েবসাইটের কাঠামো, list, table, hyperlink এর জন্য html কোড, html এ ইমেজ ও হাইপারলিংকের গুরত্ব।
🔵️পঞ্চম অধ্যায়:
a)কম্পাইলার বা অনুবাধক প্রোগ্রাম।
b) মেশিন ভাষা, সোর্স কোড।
c)algorithm........
d) ফ্লোচার্ট,অপারেটর।
e) লুপ, নেস্টেড লুপ।
f) array কি, কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার এর মধ্যে পার্থক্য।
g) ফ্লোচার্ট/c ভাষায় প্রোগ্রাম -(যোগ, গড় , *ক্ষেত্রফল , জোড়/বিজোড় সংখ্যা, বৃহত্তম/ক্ষুদ্রতম সংখ্যা, সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের তাপমাত্রার রূপান্তর, **ধারার যোগফল নির্ণয়)।
h)for loop কে do বা while loop দিয়ে বাস্তবায়ন।
🔴ষষ্ঠ অধ্যায়::
a)ডেটাবেজ।
b) ডেটা হায়ারার্কি।
c)DBMS, RDBMS...
d)কুয়েরি।
e)প্রাইমারি কি, ফরেন কি, ইন্ডেক্সিং ও সর্টিং কি।
f)ডেটাবেজ টেবিল তৈরির পদ্ধতি,ডেটা টাইপের ব্যাখ্যা, দুইটি টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক।
♣এই অধ্যায়গুলো তোমাদের এইচএসসির মেইন বই থেকে পড়ে নিব।
✅তারপর বিষয়ভিত্তিক অনুশীলন, বিগত বছরের প্রশ্ন এবং বিসিএসের অাসা বিগত বছরের প্রশ্নগুলো তোমরা অবশ্যই #অাইসিটি_পাওয়ার বই থেকে পড়ে নিবা।

৬ষ্ঠ কাউন্সিলে শেখ মুজিব আওয়ামী লীগের কোন পদে নির্বাচিত হন? বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কুইজ (৬ই জানুয়ারি ২০২১)

 

১৯৬৬ সালের ১৮ই মার্চ থেকে ২০শে মার্চ ইডেন হোটেল প্রাঙ্গণে আওয়ামী লীগের ৬ষ্ঠ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। কাউন্সিলে ৬ দফার প্রতিটি দফা যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করেন শেখ মুজিবুর রহমান। এ কাউন্সিলেই তিনি আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে নির্বাচিত হন এবং ৬ দফার পক্ষে জনমত সৃষ্টির লক্ষ্যে সারা বাংলায় গণসংযোগ সফর শুরু করেন। এ সময়ে তাঁকে আটবার গ্রেফতার করা হয়। ৬ষ্ঠ কাউন্সিলে শেখ মুজিব আওয়ামী লীগের কোন পদে নির্বাচিত হন?

 

উত্তরঃ সভাপতি।(তথ্যঃ যুগান্তর পত্রিকা)

বিসিএস ক্যাডার কি এবং কেন অামরা BCS ক্যাডার হতে চাই?

 

বিসিএস ক্যাডার কি এবং কেন অামরা BCS ক্যাডার হতে চাই?
আসুন বিস্তারিত জেনে নেই:-
১) বিসিএস পরীক্ষা কি?
উত্তরঃ
বিসিএস এর পুরো অর্থ হচ্ছে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস। আর বিসিএস পরীক্ষা হচ্ছে এই সিভিল সার্ভিসে ঢোকার জন্যে যে পরীক্ষা দেওয়া হয় সেইটা।
২) সিভিল সার্ভিস জিনিসটা কি?
উত্তরঃ
সিভিল সার্ভিস হচ্ছে সরকারী চাকুরি। যে কোন দেশে সরকারী চাকুরি মোটামুটি দু ভাগে বিভক্তঃ
মিলিটারি আর সিভিল। মিলিটারি বলতে আর্মি,নেভি, এয়ারফোর্স বোঝায়, আর সিভিল সার্ভিস বলতে প্রশাসন (মানে যাঁরা ম্যাজিস্ট্রেট, জেলার ডিসি, মন্ত্রনালয়ের সচিব এসব হন), পুলিশ, ট্যাক্স , পররাষ্ট্র, কাস্টমস ,অডিট , শিক্ষা ইত্যাদি ২৭টি সার্ভিসকে বোঝায়।
৩) ক্যাডার মানে কি?
উত্তরঃ
ক্যাডার মানে হচ্ছে কোন সুনির্দিষ্ট কাজ করার জন্যে বিশেষ ভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একটি দল। সরকারী চাকুরির সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব পালন করতে নিয়োগপ্রাপ্তদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে গড়ে তোলা হয়, তাই এদের সিভিল সার্ভিস ক্যাডার বা বিসিএস ক্যাডার বলা হয়।
৪) বিসিএস অফিসারদেরকে প্রথম শ্রেনীর গেজেটেড অফিসার বলা হয় কেন?
উত্তরঃ
বাংলাদেশ সরকারের চাকুরিতে চারটি শ্রেণি আছে,যার সর্বোচ্চ শ্রেণিটাকে বলা হয় প্রথম শ্রেণি বা ফার্স্ট ক্লাস। এদের নিয়োগের সময় সরকারী গেজেট বা বিজ্ঞপ্তি বের হয়, স্বয়ং প্রেসিডেন্ট এদের নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
সামগ্রিক দিক বিবেচনায় মান মর্যাদা, দায়িত্ব-কর্তব্যের পরিধি এবং সুযোগ সুবিধার দিক দিয়ে প্রথম শ্রেণির গেজেটেড অফিসারগণ তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকেন।
৫) ক্যাডার কত প্রকার?
উত্তরঃ
বিসিএস ক্যাডার মূলতঃ দুই প্রকার। যথা:
১) জেনারেল (পুলিশ, এডমিন, পররাষ্ট্র ইত্যাদি);
২) টেকনিকাল (শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, সড়ক ও জনপদ ইত্যাদি)।
জেনারেল ক্যাডারে যে কেউ যে কোন সাবজেক্ট থেকে পরীক্ষা দিয়ে চাকুরি করতে পারেন, কিন্তু টেকনিকাল ক্যাডারে চাকুরি করতে হলে নির্দিষ্ট বিষয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা লাগবে।
যেমনঃ
এমবিবিএস ডিগ্রি ছাড়া কেউ সরকারী ডাক্তার হয়ে চাকুরি করতে পারবেন না।
৬) বিসিএস পরীক্ষা দেওয়ার যোগ্যতা কি?
উত্তরঃ
বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে, নির্দিষ্ট বয়স সীমার ভেতরে বয়স থাকতে হবে।
যেকোন বিষয়ে চার বছরের অনার্স বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।
তিন বছরের অনার্স ও এক বছরের মাস্টার্স করা প্রার্থীরাও পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিদেশে পড়াশোনা করা ছাত্রছাত্রীরাও শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে তাদের ডিগ্রি বাংলাদেশের চার বছরের ডিগ্রির সমান- এই সার্টিফিকেট দেখিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
৭) ভাইয়া আমি তো ডাক্তার / ইঞ্জিনিয়ার / আর্কিটেক্ট / সেক্সোলজিস্ট। আমি কি বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে পুলিশ, ডিপ্লোম্যাট, ট্যাক্স অফিসার ইত্যাদি হতে পারব?
নাকি আমি ডাক্তার বলে আমাকে স্বাস্থ্য সার্ভিসেই যেতে হবে?
উত্তরঃ
অবশ্যই পারবেন। কোন কোন ক্ষেত্রে আপনার এই টেকনিকাল ডিগ্রি বিশাল সুবিধা বয়ে আনবে। যেমন,
আপনি যদি ডাক্তার হয়ে পুলিশে যোগদান করেন, সেক্ষেত্রে ইউ এন মিশন গুলোতে আপনাকে নিয়ে কাড়াকাড়ি পড়ে যাবে। আপনি যেমন এক দিক দিয়ে পুলিশের প্রধানও হয়ে যেতে পারেন, আরেক দিক দিয়ে ডাক্তারি প্র্যাকটিসও করতে পারবেন অনুমতি সাপেক্ষে।
আপনি ইঞ্জিনিয়ার হলে পুলিশে বিভিন্ন টেকনিকাল ক্রাইমের ট্রেনিং এ
আপনাকে প্রাধান্য দেয়া হবে। বহু ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার আছেন যারা টেকনিকাল ক্যাডারে না গিয়ে সচিব, রাষ্ট্রদূত ইত্যাদি হয়েছেন। ইংরেজি পড়েছেন বলেই শেকস্পীয়ার হতে হবে, এই ধারণা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন।
৮) ভাইয়া, আমি তো প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় , বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়, মফস্বলের ডিগ্রি কলেজ , মঙ্গলগ্রহের এলিয়েন একাডেমি এসব জায়গা থেকে পড়াশোনা করেছি। আমি কি বিসিএস পরীক্ষা দিতে পারব?
উত্তরঃ
ভাই, আপনি যেখানেই পড়েন না কেন, আপনার যদি লাইফে একটার বেশি থার্ড ক্লাস না থাকে এবং আপনারর সব মিলিয়ে যদি ৬ পয়েন্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা পূরণ করে থাকেন-
আপনি পরীক্ষা দিতে পারবেন।
ইংলিশ মিডিয়ামের / মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীরাও পরীক্ষা দিতে পারবেন।
আপনার প্রতিষ্ঠান না, পরীক্ষার খাতায় আপনি কি লিখছেন তার উপর নির্ভর করবে আপনি চাকুরি পাবেন কি পাবেন না।
৯) ভাইয়া, সিভিল সার্ভিসের মেডিকেল টেস্ট কেমন হয়?
পুলিশের মেডিকেল টেস্ট কি আর্মির মত হয়? আর এই মেডিকেল টেস্টে কি বাদ পড়ার সম্ভাবনা থাকে?
উত্তরঃ
সিভিল সার্ভিসের মেডিকেল টেস্ট একেবারেই সাধারণ এবং বেসিক হয়, যে কোন সরকারী হাসপাতালে গিয়ে ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করলেই জানতে পারবেন।
আপনার যদি অতি গুরুতর কোন সমস্যা না থাকে, সেক্ষেত্রে বাদ পড়ার সম্ভাবনা নেই। পুলিশের মেডিকেল টেস্ট বাকি সব ক্যাডারদের
মতই হয়, আলাদা না। শুধুমাত্র উচ্চতা আর ওজনে পার্থক্য আছে কিছুটা।
পুলিশের ক্ষেত্রে চোখের নিয়ম হচ্ছে, আপনার চোখ যাই হোক না কেন, যদি চশমা পরার পর সেটা ৬/৬ হয়, তাহলে কোন সমস্যা নেই।
১০) ভাইয়া, শুনেছি অনার্স কমপ্লিট না করেও বিসিএস পরীক্ষা দেয়া যায়, এটা কি সত্যি?
উত্তরঃ
না, অনার্স না করে পরীক্ষা দেয়া যায়না। তবে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত তারিখের মধ্যে অনার্স এর সব পরীক্ষা শেষ হয়েছে কিন্তু রেজাল্ট দেয়া বাকি আছে- এরকম হলে বিভাগীয় পরীক্ষার প্রধানের কাছ থেকে সার্টিফিকেট নিয়ে পরীক্ষা দেয়া যায়। পরবর্তীতে ভাইভার সময় মূল সার্টিফিকেট নিয়ে যেতে হয়।
যদি স্বপ্ন থাকে আপনি একজন BCS CADRE হবেন। তবে সময় নষ্ট না করে, আজকে থেকেই শুরু করে দেন। আপনিও হবেন একজন BCS CADRE, যদি সফল ব্যক্তিদের মত আপনিও ধৈর্য সহকারে লেগে থাকতে পারেন।

মোট কতজন নিহত হন? বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কুইজ (৫ই জানুয়ারি ২০২১)

 মোট কতজন নিহত হন? বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কুইজ (৫ই জানুয়ারি ২০২১)

 

বঙ্গবন্ধু কুইজের আজকের কুইজ

১৯৬৬ সালের ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে ৬ দফা অনুমোদন পায় এবং দলীয় কর্মসূচি হিসেবে অন্তর্ভূক্ত হয়। ৬ দফার প্রেক্ষাপটেই ৮ মে ধানমন্ডির বাসা থেকে শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। ৬ দফা দাবি বাস্তবায়ন ও শেখ মুজিবসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবিতে ৭ জুন হরতালের কর্মসূচি ঘোষণা করে আওয়ামী লীগ। হরতাল কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে ঢাকা, টঙ্গী, নারায়ণগঞ্জে পুলিশ ও ইপিআরের গুলিতে মনু মিয়াসহ কয়েকজন নিহত হন। মোট কতজন নিহত হন?

কুইজের উত্তর: ১১ জন

৬ দফাকে কীসের সঙ্গে তুলনা করা হয়? বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কুইজ (৪ঠা জানুয়ারি ২০২১)

 ৬ দফাকে কীসের সঙ্গে তুলনা করা হয়?  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কুইজ (৪ঠা জানুয়ারি ২০২১)

৬ দফাকে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ বলা হয়। ৬ দফার মূল বক্তব্য ছিল—প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয় ছাড়া সব ক্ষমতা প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকবে। পূর্ব বাংলা ও পশ্চিম পাকিস্তানে দুটি পৃথক ও সহজ বিনিময় যোগ্য মুদ্রা থাকবে। সরকারের কর, শুল্ক ধার্য ও আদায় করার দায়িত্ব প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকাসহ দুই অঞ্চলের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা হিসাব থাকবে। পূর্ব বাংলার প্রতিরক্ষা ঝুঁকি কমানোর জন্য এখানে আধা-সামরিক বাহিনী গঠন ও নৌবাহিনীর সদর দপ্তর স্থাপন। ৬ দফাকে কীসের সঙ্গে তুলনা করা হয়? 

 Answer::: ম্যাগনাকার্টা

 

এই পুস্তিকাটির নাম কী ছিল? বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কুইজ (৩রা জানুয়ারি ২০২১)

  এই পুস্তিকাটির নাম কী ছিল? বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কুইজ (৩রা জানুয়ারি ২০২১)

 

১৯৬৬ সালের ২০শে ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ৬ দফা প্রস্তাব ও দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনের কর্মসূচি হিসেবে গৃহীত হয়। ৬ দফা নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান ও তাজউদ্দীন আহমদের বিশ্লেষণসহ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়। এরপর ১৮ই মার্চ আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে একটি পুুস্তিকা প্রচার করা হয়। এই পুস্তিকাটির নাম কী ছিল?

answer::: ছয় দফাঃ আমাদের বাঁচার দাবি

Follow Us Email