বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার জন্য বাংলা, ইংলিশ,জিকে কিভাবে পড়তে হবে এখনো বুঝতে পারছো না?

 

বাংলা, ইংলিশ,জিকে কিভাবে পড়তে হবে এখনো বুঝতে পারতেছোনা?
✅-পড়াশোনা তেমন কিছুই হয়নি এতোদিন, তাই চিন্তিত,নতুন করে শুরু করতে চাও প্রানপনে?
♣-কোচিং করোনা,দারিদ্রতাই ভুগছো,বাড়িতে
একা একা কিভাবে পড়তে বুঝতে পারতেছোনা?
🌠-এ বা সি ইউনিটের প্রিপারেশন বাদ দিয়ে ডি তে প্রিপারেশন নিতে চাও?
🔵তাহলে এ পোষ্টটা তাদের জন্য..
পোষ্টটা সময় নিয়ে পুরাটা পড়লে ইনশাআল্লাহ
তুমি তোমার সমাধান পাবা।
🔯এখনো যাদের পড়াশোনা হতাশাজনক বা এখনো তেমন পড়াশোনা শুরু করোনি তাদের
সব শেষ হয়ে যায়নি।এখনো বাকি দুই-অাড়াই মাস শেষ চেস্টা করলে চান্স পাওয়া সম্ভব।তবে সেক্ষেত্রে অবশ্যই তাকে আগের মত পড়াশোনা করলে চলবেনা,নিজেকে পরিবর্তন করতে হবে।ঢাবিতে চান্স পাওয়ার স্বপ্ন নিয়ে নিজেকে সর্বোচ্চ সিরিয়াস হতে হবে।
◼তুমি বিভিন্ন সমস্যার কারনে কৌচিং করতে পারছোনা,বাড়িতে বসে প্রিপারেশন নিচ্ছো,
তাই বলে আমার দ্বারা হবে না এমন ভাবার কিছু নেই।এই গ্রুপটাতে যে গাইডলাইন দেওয়া হয় তা অনুসরণ করলে,যারা কৌচিং করতে পারছোনা
তাদের সমস্যা হওয়ার কথা না।এ পোষ্টটা পড়লে
বাকি ডিটেলস জেনে যাবে।
♦এখন আর আড়াই মাসের মতো আছে।প্রতিদিন ১০ ঘন্টা করে নিচের পদ্ধতি অনুসরন করে পড়লে তুমি পারবে ইনশাআল্লাহ!
♠এরজন্য প্রথমে তুমি একটা প্রশ্নব্যাংক কিনে নাও।তোমার পরীক্ষা দেওয়ার আগে জানতে হবে কেমনে প্রশ্ন আসে।আর সেটা প্রশ্নব্যাংক দেখে বুঝতে পারবে।এরফলে কোনগুলা বেশি গুরুত্ব দিতে হবে,কোনগুলো না পড়লেও চলবে বুঝতে পারবে।মনে রাখবে, "যার কি ধরণের প্রশ্ন আসে সে সম্পর্কে ধারনা আছে,তার অর্ধেক বই না পড়লেও চলে।
⚫তাছাড়া প্রশ্নব্যাংক পড়ার আরেকটা লাভ হলো পরীক্ষায় প্রশ্নব্যাংক থেকে প্রায় সেম টু সেম প্রশ্ন না আসলেও একই প্রশ্ন একটু ঘুড়িয়ে পেচিয়ে আসে,যা তোমরা প্রশ্নব্যাংক সলভ করলে সহজেই উত্তর করতে পারবে।
তো বুঝতেই পারছো কতোটা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নব্যাংক।
প্রশ্নব্যাংকের জন্য তোমরা #ইউনিক_ভার্সিটি_সলুশন দেখতে পারো বেস্ট হবে। তাছাড়া এই বইয়ে ১৫টা ভার্সিটির প্রশ্ন একসাথে দেওয়া অাছে।
🔴এবার আসি মূল কথায়।
বি ও ডি ইউনিটে পরীক্ষা হয় বাংলা, ইংলিশ আর জিকেতে......
🔷বাংলা আর জিকে তেমন ব্যাপার না।
আসল খেলা হয় ইংলিশে।
ইংলিশে ভালো মানে চান্স নিশ্চিত।

🔶আসো কিভাবে প্রতিদিন পড়বে বলে দিচ্ছি
ধরে নিচ্ছি তুমি প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ঘন্টা পড়ো।
তাহলে,
🔽অাজকে অালোচনা করবো বাংলা নিয়ে:
বাংলাকে তুমি ১০ ঘন্টার মধ্যে সময় দিবে ৩.০০ ঘন্টা।এখন ১০ ঘন্টার চেয়ে বেশি পড়তে পারলে
সময় আরো বাড়াবে।কম পড়লেও তেমনি।তবে
এসময় ১০ ঘন্টার চেয়ে নিচে পড়ে চান্স পাওয়াটা ঝূকিপূর্ণ।
★বাংলাকে চারটা পার্টে ভাগ করবা। যেমন,
১.বাংলার গদ্য এবং পদ্য
২.বাংলা গ্রামার
৩.বিরচন (মুখস্থ অংশ)
৪.প্রশ্নব্যাংক পর্যালোচনা।
১.বাংলা গদ্য এবং পদ্যঃ
★প্রশ্নঃকয়টা প্রশ্ন আসে?
বাংলা গদ্য এবং পদ্য থেকে সাধারনত ৭-৮টা প্রশ্ন আসে।কিরকম প্রশ্ন আসে তা প্রশ্নব্যাংক
পর্যালোচনা করলেই বুঝতে পারবা।
★কিভাবে পড়বো?
এজন্য বইয়ের প্রত্যেকটা লাইন ভালোভাবে বুঝে
পড়বা।শুধু রিডিং পড়ে গেলে কোন ফায়দা নেই।
তথ্যবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ লাইনগুলো বারবার পড়বা।আর লেখকের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য,শব্দার্থ,টীকা,সমার্থক শব্দ,বিপরীত শব্দ ইত্যাদিগুলোতে মনোযোগ দিবা।
গল্পে বা কবিতায় ফুল,ফল,নদী,গাছ,পোকা,পাখি,মাছ,বা গল্পের বিশেষ শব্দগুলো ইত্যাদি কি কি আছে আর কতগুলো আছে তা ভালোভাবে লক্ষ্য করে পড়বা।পারলে নোট করে নিবে।আর কবির জন্মমৃত্যু যদি মনে না থাকে এটা বাদ দাও,
প্রশ্ন আসেনা বললেই চলে।
এবার প্রশ্ন, বাংলা সাহিত্যে প্রতিদিন কতটুকু পড়বো? কতমিনিট?
প্রতিদিন ১ টা গদ্য অথবা একটা পদ্য।
অর্থাৎ একদিন পদ্য পড়লে অন্যদিন গদ্য।
আর এরজন্য সময় নিবে মাত্র ১ ঘন্টা।
আমার মতে এই ১ঘন্টা পদ্য শেষ করা সহজ।
কিন্তু অধিকাংশ গদ্য(গল্প) অনেক বড় বিধায় শেষ করা সম্ভব নাও হতে পারে।সেক্ষেত্রে গদ্যকে অংশে ভাগ করে পড়বে।
(খ)বাংলা গ্রামারঃ
★কতটি প্রশ্ন আসতে পারে?
বাংলা গ্রামার থেকে প্রশ্ন আসে প্রায় ৮-১০ এর মতো।কি রকম প্রশ্ন আসে তা জানতে প্রশ্নব্যাংক দেখো।
★কি কি টপিকস থেকে প্রশ্ন আসে?
(★★★ (3 star) গুলা বেশি গুরুত্বপূর্ণ)
♥♥ব্যাকরণিক অংশ♥♥
-----------------------
★বাক্যের শ্রেণীবিভাগ
★★★বাক্য প্রকরণ
★ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয়
★★★বিরাম চিহ্ন ও ব্যাকরণিক চিহ্ন
★বাচ্য
★ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ ও উচ্চারণবিধি
★★★ধ্বনি পরিবর্তন
★দ্বিরুক্ত শব্দ
★কারক ও বিভক্তি
★ক্রিয়া পদ
★★ক্রিয়ার কাল
★★★ণত্ব ও ষত্ব বিধান
★অনুসর্গ
★পদ প্রকরণ
★বচন
★পদাশ্রিত নির্দেশক
★প্রকৃতি-প্রত্যয়
★★পুরুষ ও স্ত্রী বাচক শব্দ
★শব্দের শ্রেণীবিভাগ
★★সমাস
★★★সন্ধি
★সংখ্যাবাচক শব্দ
★উক্তি পরিবর্তন
★★★উপসর্গ
★ভাষা, বাংলা ভাষা ও বাংলা ভাষারীতি
★কতটুকু সময় দিবো দৈনিক?
এসে গেলাম সবচেয়ে কঠিন জিনিসটা বলতে।
এর জন্য দৈনিক ১ঘন্টা সময় বরাদ্দ করবে ১০ ঘন্টার পড়ায়।একদিনে একটা গ্রামাটিক্যাল টপিকস শেষ না হলে কয়েকদিনে ভাগ করে শেষ করো।
★কিভাবে পড়বো?
গুরুত্বপূর্ণ টপিকসগুলো প্রথমে শুরু করো। টপিকস বাছাই করো।প্রথম থেকে নিয়ম বুঝে বুঝে পড়া শুরু করো।না বুঝলে আবার পড়ো।বারবার মনোযোগ দিয়ে পড়লে আই বিলিভ তুমি বুঝতে পারার কথা।তাও যদি না পারো তাহলে সর্বশেষ কারো সাহায্য নাও।
✅আসলে আমরা, প্রথমেই চেষ্টা করার আগেই চাই কেউ গিলিয়ে দিক,নিজে নিজে বুঝার চেষ্টা করিনা,অথচ একান্তভাবে নিজে চেষ্টা করলে মনুষ্যজাতির ব্রেণে খুব কম জিনিসই না বুঝার আছে।
পড়ার সময় উদাহরনগুলো দেখে নিবে আর নিয়মের সাথে উদাহরনের লিংক খুজে বের করে
সেটা মাথায় সেট করে রেখে দিবে।
আর এটাই হলো ব্যাসিক।এই জিনিসটা পরীক্ষার হল পর্যন্ত নিতে পারলে কেল্লাফতে।
❇আর হ্যা, যদি ব্যাকরনের কোনো টপিকস একেবারেই মাথায় না ডুকে,আর ভাবেন কস্মিনকালেও আর বুঝা সম্ভব না,তাহলে আল্লাহর ওয়াস্তে সেগুলো ছেড়ে দিবেন গুডবাই বলে।
এই না পারা কয়েকটা টপিকসের জন্য হয়তো সর্বোচ্চ রেজাল্ট হবেনা, তবে এগুলোর জন্য যাতে "দূর কিচ্ছু বুঝিনা,কিচ্ছু পারিনা,আমার দ্বারা হবেনা"এই বলে একেবারেই হতাশ হওয়ার চেয়ে ছেড়ে দিয়ে অন্য পারা টপিকসগুলোতে বেশি মনোযোগ দিন,যাতে ঔগুলাতে মিস না হয়।আমি নত্ব-ষত্ব বিধান,বানান শুদ্ধিকরন আর ১-২ টা বাদ দিয়েছিলাম।😊😊
(গ) বিরচন অংশঃ
★কতটি প্রশ্ন আসে?
৬-৮ টি প্রশ্ন আসে "সাধারনত" এ টপিকস থেকে।
★কি কি টপিকস আছে বিরচন অংশে?
♥বাগধারা
♥এক কথায় প্রকাশ
♥বিপরীত শব্দ
♥সমার্থক শব্দ
♥শুদ্ধি-অশুদ্ধি
♥সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ
★কতটুকু সময় পড়তে হবে?
৪৫ মিনিট করে পড়তে পারো ১০ ঘন্টার বরাদ্দে।
★পড়ার সিস্টেম
২ টা সিস্টেমে পড়তে পারো
(১)একদিন একটা করে টপিকস পড়বে।
কোনদিন কোন টপিকস পড়বে রুটিন করে নিও...
(২)অথবা প্রতিদিন সবগুলো টপিকস থেকে ১০ টা করে পড়বা।অর্থাৎ বিপরীত শব্দ, সমার্থক শব্দ ইত্যাদি সবগুলো বিরচনের টপিকস
থেকে প্রতিদিন প্রত্যকটি থেকে ১০ টি করে পড়বা।
★কিভাবে পড়বে?
এগুলা মূখস্থের বিষয়।প্রথম প্রথম পড়তে অসহ্য লাগবে,পড়লে মনে থাকবেনা।চিন্তা করার কিছু নেই। কয়েকবার করে পড়বে।বারবার রিভিশন দাও।কয়েকদিন পর তুমি বস।
★বুক সাজেস্টঃ বাংলার যে বিষয়গুলো অালোচনা করলাম তার সবকিছুই তোমর #বাংলা_পাওয়ার বইয়ে পাবে। বইটিতে প্রতিটি বিষয় খুব সুন্দরভাবে সাজানো-গোছানো অাছে।
(ঘ)প্রশ্নব্যাংক পর্যালোচনাঃ
প্রতিদিন ১৫ মিনিট সময় দিয়ে কমপক্ষে একটা বিগত সালের প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ সমাধান করবে।
🔵পোষ্টটা একবার না বারবার পড়ো।
পড়তে পড়তে মাথায় পুরো বিষয়টা ঢুকিয়ে নাও আর পড়ার সময় কাজে লাগাও।এভাবে পড়লে ইনশাআল্লাহ চান্স পাবে। এখানে সবচেয়ে সহজভাবে তোমাদের বুঝানো হয়েছে বাংলা নিয়ে।তারপরও না বুঝলে কমেন্টবক্স বা মেসেজে জানাতে পারো।

গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার জন্য আইসিটি (ICT) গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো পড়তে হবে.?

 

অনেকেই আমাকে প্রশ্ন করো যে গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার জন্য আইসিটি কোন কোন টপিকগুলো পড়তে হবে.?
❇এখানে বলতে গেলে এডমিশন টেস্টের জন্য সব গুলো টপিক পড়া উচিত কেননা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরিক্ষায় কোত্থেকে প্রশ্ন আসে কেউ বলতে পারবে না।
তবে যে টপিক বা চ্যাপ্টার গুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেগুলো সম্পর্কে আলোচনা করবোঃ
◼প্রথম অধ্যায় থেকে তোমাকে অবশ্যই
1)বিশ্বগ্রাম কি,
a)ভিডিও কনফারেন্সিং এর কার্যাবলী ও সুবিধা/অসুবিধা পড়তে হবে।
b)কর্মসংস্থান-আউটসোর্সিং।
c)ই-কমার্স-এর বিস্তারিত পড়তে হবে।
🔷️দ্বিতীয় অধ্যায়:
a)ব্যান্ডউইথ কি ও 9.6 kbps , সিপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোড(হাফ ও ফুল-ডুপ্লেক্স)।
b)ক্যাবল কানেক্টর(টুইস্টেড-RJ-45,কো-এক্সিয়াল-BNC, ফাইবার অপটিক-ST), কো-এক্সিয়াল
c)ফাইবার অপটিক
d)PAN, LAN ও MAN
e)হটস্পট(ব্লুটুথ, ওয়াই-ফাই), মডেম, মডুলেশন, রাউটার, রিপিটার, হাব ও সুইচ
f)হাব ও সুইচের মধ্যে পার্থক্য, টপোলজি(**স্টার-সুবিধাসমূহ, *রিং-অসুবিধাসমূহ)।
🔶তৃতীয় অধ্যায়:
a)LSB ও MSB এর পুর্ণরূপ।
b)রূপান্তর(বাইনারি/ডেসিমাল<=>অক্টাল/হেক্সাডেসিমাল), **ভিন্ন সংখ্যা পদ্ধতির দুইটি সংখ্যা যোগ বা তুলনা(প্রথমে সংখ্যা দুইটিকে একই সংখ্যা পদ্ধতিতে নিতে হবে তারপর যোগবা তুলনা করতে হবে), ২ এর পরিপূরক কি ও এর গুরত্ব, BCD-8421 কোড, *বুলিয়ান ফাংশনের সত্যক সারণি, বুলিয়ান ফাংশন
c)সরলীকরণ ও শুধুমাত্র NOR/NAND গেইট দিয়ে অংকন, ফ্লিপ-ফ্লপ, *রেজিষ্টার, এনকোডার, ডিকোডার ।
⚫চতুর্থ অধ্যায়:
a) tag, HTML, www, http, URL, IP address কি।
b)স্ট্যাটিক ও ডাইনামিক ওয়েবসাইটের সুবিধা ও অসুবিধা।
c)ওয়েবসাইটের কাঠামো, list, table, hyperlink এর জন্য html কোড, html এ ইমেজ ও হাইপারলিংকের গুরত্ব।
🔵️পঞ্চম অধ্যায়:
a)কম্পাইলার বা অনুবাধক প্রোগ্রাম।
b) মেশিন ভাষা, সোর্স কোড।
c)algorithm........
d) ফ্লোচার্ট,অপারেটর।
e) লুপ, নেস্টেড লুপ।
f) array কি, কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার এর মধ্যে পার্থক্য।
g) ফ্লোচার্ট/c ভাষায় প্রোগ্রাম -(যোগ, গড় , *ক্ষেত্রফল , জোড়/বিজোড় সংখ্যা, বৃহত্তম/ক্ষুদ্রতম সংখ্যা, সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের তাপমাত্রার রূপান্তর, **ধারার যোগফল নির্ণয়)।
h)for loop কে do বা while loop দিয়ে বাস্তবায়ন।
🔴ষষ্ঠ অধ্যায়::
a)ডেটাবেজ।
b) ডেটা হায়ারার্কি।
c)DBMS, RDBMS...
d)কুয়েরি।
e)প্রাইমারি কি, ফরেন কি, ইন্ডেক্সিং ও সর্টিং কি।
f)ডেটাবেজ টেবিল তৈরির পদ্ধতি,ডেটা টাইপের ব্যাখ্যা, দুইটি টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক।
♣এই অধ্যায়গুলো তোমাদের এইচএসসির মেইন বই থেকে পড়ে নিব।
✅তারপর বিষয়ভিত্তিক অনুশীলন, বিগত বছরের প্রশ্ন এবং বিসিএসের অাসা বিগত বছরের প্রশ্নগুলো তোমরা অবশ্যই #অাইসিটি_পাওয়ার বই থেকে পড়ে নিবা।

৬ষ্ঠ কাউন্সিলে শেখ মুজিব আওয়ামী লীগের কোন পদে নির্বাচিত হন? বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কুইজ (৬ই জানুয়ারি ২০২১)

 

১৯৬৬ সালের ১৮ই মার্চ থেকে ২০শে মার্চ ইডেন হোটেল প্রাঙ্গণে আওয়ামী লীগের ৬ষ্ঠ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। কাউন্সিলে ৬ দফার প্রতিটি দফা যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করেন শেখ মুজিবুর রহমান। এ কাউন্সিলেই তিনি আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে নির্বাচিত হন এবং ৬ দফার পক্ষে জনমত সৃষ্টির লক্ষ্যে সারা বাংলায় গণসংযোগ সফর শুরু করেন। এ সময়ে তাঁকে আটবার গ্রেফতার করা হয়। ৬ষ্ঠ কাউন্সিলে শেখ মুজিব আওয়ামী লীগের কোন পদে নির্বাচিত হন?

 

উত্তরঃ সভাপতি।(তথ্যঃ যুগান্তর পত্রিকা)

বিসিএস ক্যাডার কি এবং কেন অামরা BCS ক্যাডার হতে চাই?

 

বিসিএস ক্যাডার কি এবং কেন অামরা BCS ক্যাডার হতে চাই?
আসুন বিস্তারিত জেনে নেই:-
১) বিসিএস পরীক্ষা কি?
উত্তরঃ
বিসিএস এর পুরো অর্থ হচ্ছে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস। আর বিসিএস পরীক্ষা হচ্ছে এই সিভিল সার্ভিসে ঢোকার জন্যে যে পরীক্ষা দেওয়া হয় সেইটা।
২) সিভিল সার্ভিস জিনিসটা কি?
উত্তরঃ
সিভিল সার্ভিস হচ্ছে সরকারী চাকুরি। যে কোন দেশে সরকারী চাকুরি মোটামুটি দু ভাগে বিভক্তঃ
মিলিটারি আর সিভিল। মিলিটারি বলতে আর্মি,নেভি, এয়ারফোর্স বোঝায়, আর সিভিল সার্ভিস বলতে প্রশাসন (মানে যাঁরা ম্যাজিস্ট্রেট, জেলার ডিসি, মন্ত্রনালয়ের সচিব এসব হন), পুলিশ, ট্যাক্স , পররাষ্ট্র, কাস্টমস ,অডিট , শিক্ষা ইত্যাদি ২৭টি সার্ভিসকে বোঝায়।
৩) ক্যাডার মানে কি?
উত্তরঃ
ক্যাডার মানে হচ্ছে কোন সুনির্দিষ্ট কাজ করার জন্যে বিশেষ ভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একটি দল। সরকারী চাকুরির সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব পালন করতে নিয়োগপ্রাপ্তদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে গড়ে তোলা হয়, তাই এদের সিভিল সার্ভিস ক্যাডার বা বিসিএস ক্যাডার বলা হয়।
৪) বিসিএস অফিসারদেরকে প্রথম শ্রেনীর গেজেটেড অফিসার বলা হয় কেন?
উত্তরঃ
বাংলাদেশ সরকারের চাকুরিতে চারটি শ্রেণি আছে,যার সর্বোচ্চ শ্রেণিটাকে বলা হয় প্রথম শ্রেণি বা ফার্স্ট ক্লাস। এদের নিয়োগের সময় সরকারী গেজেট বা বিজ্ঞপ্তি বের হয়, স্বয়ং প্রেসিডেন্ট এদের নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
সামগ্রিক দিক বিবেচনায় মান মর্যাদা, দায়িত্ব-কর্তব্যের পরিধি এবং সুযোগ সুবিধার দিক দিয়ে প্রথম শ্রেণির গেজেটেড অফিসারগণ তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকেন।
৫) ক্যাডার কত প্রকার?
উত্তরঃ
বিসিএস ক্যাডার মূলতঃ দুই প্রকার। যথা:
১) জেনারেল (পুলিশ, এডমিন, পররাষ্ট্র ইত্যাদি);
২) টেকনিকাল (শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, সড়ক ও জনপদ ইত্যাদি)।
জেনারেল ক্যাডারে যে কেউ যে কোন সাবজেক্ট থেকে পরীক্ষা দিয়ে চাকুরি করতে পারেন, কিন্তু টেকনিকাল ক্যাডারে চাকুরি করতে হলে নির্দিষ্ট বিষয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা লাগবে।
যেমনঃ
এমবিবিএস ডিগ্রি ছাড়া কেউ সরকারী ডাক্তার হয়ে চাকুরি করতে পারবেন না।
৬) বিসিএস পরীক্ষা দেওয়ার যোগ্যতা কি?
উত্তরঃ
বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে, নির্দিষ্ট বয়স সীমার ভেতরে বয়স থাকতে হবে।
যেকোন বিষয়ে চার বছরের অনার্স বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।
তিন বছরের অনার্স ও এক বছরের মাস্টার্স করা প্রার্থীরাও পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিদেশে পড়াশোনা করা ছাত্রছাত্রীরাও শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে তাদের ডিগ্রি বাংলাদেশের চার বছরের ডিগ্রির সমান- এই সার্টিফিকেট দেখিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
৭) ভাইয়া আমি তো ডাক্তার / ইঞ্জিনিয়ার / আর্কিটেক্ট / সেক্সোলজিস্ট। আমি কি বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে পুলিশ, ডিপ্লোম্যাট, ট্যাক্স অফিসার ইত্যাদি হতে পারব?
নাকি আমি ডাক্তার বলে আমাকে স্বাস্থ্য সার্ভিসেই যেতে হবে?
উত্তরঃ
অবশ্যই পারবেন। কোন কোন ক্ষেত্রে আপনার এই টেকনিকাল ডিগ্রি বিশাল সুবিধা বয়ে আনবে। যেমন,
আপনি যদি ডাক্তার হয়ে পুলিশে যোগদান করেন, সেক্ষেত্রে ইউ এন মিশন গুলোতে আপনাকে নিয়ে কাড়াকাড়ি পড়ে যাবে। আপনি যেমন এক দিক দিয়ে পুলিশের প্রধানও হয়ে যেতে পারেন, আরেক দিক দিয়ে ডাক্তারি প্র্যাকটিসও করতে পারবেন অনুমতি সাপেক্ষে।
আপনি ইঞ্জিনিয়ার হলে পুলিশে বিভিন্ন টেকনিকাল ক্রাইমের ট্রেনিং এ
আপনাকে প্রাধান্য দেয়া হবে। বহু ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার আছেন যারা টেকনিকাল ক্যাডারে না গিয়ে সচিব, রাষ্ট্রদূত ইত্যাদি হয়েছেন। ইংরেজি পড়েছেন বলেই শেকস্পীয়ার হতে হবে, এই ধারণা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন।
৮) ভাইয়া, আমি তো প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় , বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়, মফস্বলের ডিগ্রি কলেজ , মঙ্গলগ্রহের এলিয়েন একাডেমি এসব জায়গা থেকে পড়াশোনা করেছি। আমি কি বিসিএস পরীক্ষা দিতে পারব?
উত্তরঃ
ভাই, আপনি যেখানেই পড়েন না কেন, আপনার যদি লাইফে একটার বেশি থার্ড ক্লাস না থাকে এবং আপনারর সব মিলিয়ে যদি ৬ পয়েন্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা পূরণ করে থাকেন-
আপনি পরীক্ষা দিতে পারবেন।
ইংলিশ মিডিয়ামের / মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীরাও পরীক্ষা দিতে পারবেন।
আপনার প্রতিষ্ঠান না, পরীক্ষার খাতায় আপনি কি লিখছেন তার উপর নির্ভর করবে আপনি চাকুরি পাবেন কি পাবেন না।
৯) ভাইয়া, সিভিল সার্ভিসের মেডিকেল টেস্ট কেমন হয়?
পুলিশের মেডিকেল টেস্ট কি আর্মির মত হয়? আর এই মেডিকেল টেস্টে কি বাদ পড়ার সম্ভাবনা থাকে?
উত্তরঃ
সিভিল সার্ভিসের মেডিকেল টেস্ট একেবারেই সাধারণ এবং বেসিক হয়, যে কোন সরকারী হাসপাতালে গিয়ে ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করলেই জানতে পারবেন।
আপনার যদি অতি গুরুতর কোন সমস্যা না থাকে, সেক্ষেত্রে বাদ পড়ার সম্ভাবনা নেই। পুলিশের মেডিকেল টেস্ট বাকি সব ক্যাডারদের
মতই হয়, আলাদা না। শুধুমাত্র উচ্চতা আর ওজনে পার্থক্য আছে কিছুটা।
পুলিশের ক্ষেত্রে চোখের নিয়ম হচ্ছে, আপনার চোখ যাই হোক না কেন, যদি চশমা পরার পর সেটা ৬/৬ হয়, তাহলে কোন সমস্যা নেই।
১০) ভাইয়া, শুনেছি অনার্স কমপ্লিট না করেও বিসিএস পরীক্ষা দেয়া যায়, এটা কি সত্যি?
উত্তরঃ
না, অনার্স না করে পরীক্ষা দেয়া যায়না। তবে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত তারিখের মধ্যে অনার্স এর সব পরীক্ষা শেষ হয়েছে কিন্তু রেজাল্ট দেয়া বাকি আছে- এরকম হলে বিভাগীয় পরীক্ষার প্রধানের কাছ থেকে সার্টিফিকেট নিয়ে পরীক্ষা দেয়া যায়। পরবর্তীতে ভাইভার সময় মূল সার্টিফিকেট নিয়ে যেতে হয়।
যদি স্বপ্ন থাকে আপনি একজন BCS CADRE হবেন। তবে সময় নষ্ট না করে, আজকে থেকেই শুরু করে দেন। আপনিও হবেন একজন BCS CADRE, যদি সফল ব্যক্তিদের মত আপনিও ধৈর্য সহকারে লেগে থাকতে পারেন।

মোট কতজন নিহত হন? বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কুইজ (৫ই জানুয়ারি ২০২১)

 মোট কতজন নিহত হন? বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কুইজ (৫ই জানুয়ারি ২০২১)

 

বঙ্গবন্ধু কুইজের আজকের কুইজ

১৯৬৬ সালের ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে ৬ দফা অনুমোদন পায় এবং দলীয় কর্মসূচি হিসেবে অন্তর্ভূক্ত হয়। ৬ দফার প্রেক্ষাপটেই ৮ মে ধানমন্ডির বাসা থেকে শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। ৬ দফা দাবি বাস্তবায়ন ও শেখ মুজিবসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবিতে ৭ জুন হরতালের কর্মসূচি ঘোষণা করে আওয়ামী লীগ। হরতাল কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে ঢাকা, টঙ্গী, নারায়ণগঞ্জে পুলিশ ও ইপিআরের গুলিতে মনু মিয়াসহ কয়েকজন নিহত হন। মোট কতজন নিহত হন?

কুইজের উত্তর: ১১ জন

৬ দফাকে কীসের সঙ্গে তুলনা করা হয়? বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কুইজ (৪ঠা জানুয়ারি ২০২১)

 ৬ দফাকে কীসের সঙ্গে তুলনা করা হয়?  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কুইজ (৪ঠা জানুয়ারি ২০২১)

৬ দফাকে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ বলা হয়। ৬ দফার মূল বক্তব্য ছিল—প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয় ছাড়া সব ক্ষমতা প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকবে। পূর্ব বাংলা ও পশ্চিম পাকিস্তানে দুটি পৃথক ও সহজ বিনিময় যোগ্য মুদ্রা থাকবে। সরকারের কর, শুল্ক ধার্য ও আদায় করার দায়িত্ব প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকাসহ দুই অঞ্চলের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা হিসাব থাকবে। পূর্ব বাংলার প্রতিরক্ষা ঝুঁকি কমানোর জন্য এখানে আধা-সামরিক বাহিনী গঠন ও নৌবাহিনীর সদর দপ্তর স্থাপন। ৬ দফাকে কীসের সঙ্গে তুলনা করা হয়? 

 Answer::: ম্যাগনাকার্টা

 

এই পুস্তিকাটির নাম কী ছিল? বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কুইজ (৩রা জানুয়ারি ২০২১)

  এই পুস্তিকাটির নাম কী ছিল? বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কুইজ (৩রা জানুয়ারি ২০২১)

 

১৯৬৬ সালের ২০শে ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ৬ দফা প্রস্তাব ও দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনের কর্মসূচি হিসেবে গৃহীত হয়। ৬ দফা নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান ও তাজউদ্দীন আহমদের বিশ্লেষণসহ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়। এরপর ১৮ই মার্চ আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে একটি পুুস্তিকা প্রচার করা হয়। এই পুস্তিকাটির নাম কী ছিল?

answer::: ছয় দফাঃ আমাদের বাঁচার দাবি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য

 

★★★ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য :
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের C , C1 , F , I ইউনিট - এই ৪ ইউনিটে বাংলা , ইংরেজি , সাধারণ জ্ঞান , IQ ( বুদ্ধিমত্তা ) - এই ৪ বিষয়ের উপর প্রিপারেশান নিয়ে পরীক্ষা দিতে পারবা। এই ইউনিটগুলোতে সকল গ্রুপের শিক্ষার্থীরাই পরীক্ষা দিতে পারে।
★ পরীক্ষা দেওয়ার যোগ্যতা- বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা সকল ইউনিটেই পরীক্ষা দিতে পারবে । মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা , মাদ্রাসা ও অন্যান্য শাখার শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে পারবে - B , C , C1 , E , F , G , I এই ৭ ইউনিটে ।
অনেকেই জানতে চাও একজন ভর্তি পরীক্ষার্থী একাধিক ইউনিটে পরীক্ষা দিতে পারবে কিনা?
.
হ্যাঁ অবশ্যই। তুমি যদি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হও তবে জাবির ১০ টি ইউনিটের সবগুলোতেই পরীক্ষা দিতে পারবা যদি তোমার যোগ্যতা থাকে। আর মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা , মাদ্রাসা ও অন্যান্য শাখার শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে পারবে - B , C , C1 , E , F , G , I এই ৭ ইউনিটের সবগুলোতেই যদি আবেদন করার যোগ্যতা থাকে।
.
★ তোমার যদি ইংরেজিতে B গ্রেড থাকে তবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের G ইউনিট ব্যতিত বাকি সব ইউনিটেই পরীক্ষা দিতে পারবা। তবে English, IR, Journalism, Economics etc. সাবজেক্ট পেতে গেলে ইংরেজিতে A- ( A মাইনাস) গ্রেড থাকা লাগে। ইংরেজিতে A- ( A মাইনাস) গ্রেড থাকলে তুমি G ইউনিট ( IBA) তেও পরীক্ষা দিতে পারবা।
.
HSC তে ইংরেজিতে C / D গ্রেড থাকলে থাকলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের A, C1, D, H ইউনিটে কোন সমস্যা ছাড়াই পরীক্ষা দিতে পারবা. A, C1, D, H ইউনিট বাদে আরো ২ টা ইউনিটে আবেদন করা যাবে ( B, C Unit). তবে B ও C ইউনিটে চান্স পেলেও সব সাবজেক্ট পাবানা ইংরেজিতে C/D থাকার কারণে। বি ইউনিটে চান্স পেলে পাবা " ভুগোল ও পরিবেশ " সাবজেক্ট টি। আর কোন সাবজেক্ট পাবানা। এবং সি ইউনিটে চান্স পেলে পাবা " বাংলা " সাবজেক্ট টি। আর কোন সাবজেক্ট পাবানা।
.
* এসএসসি/এইচএসসি তে ৩.০০ থাকলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন ইউনিটে আবেদন করা যাবে?
-সি, সি১, আই ইউনিটে আবেদন করতে পারবে।
.
* কত নাম্বার পেলে চান্স পাওয়া যাবে?
-জাবির সকল ইউনিটেই ভর্তি পরীক্ষায় অন্তত ৬৫% নাম্বার না পেলে চান্স পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। প্রশ্ন সহজ হলে অন্তত ৭০% লাগতে পারে। তবে D,H ইউনিটে ৭৫% নাম্বার লাগবে।
.
✅ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল ইউনিটেই বাংলা এবং ইংরেজি থেকে প্রশ্ন করা হয়।বাংলা এবং ইংরেজির জন্য ফলো করতে পারো বাংলা পাওয়ার ও ইংরেজি পাওয়ার বইটি।

✅ আমরা সকলে একটা বিষয় অবগত যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্ন প্যাটার্ন অন্য সকল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আলাদা।ঢাবির প্রিপারেশন নিয়ে জাবির প্রিপারেশন অসম্ভব। তাই জাবির প্রশ্নের প্যাটার্ন বুঝতে জাবির বিগত বছরের ১০০% ব্যাখ্যা সম্বলিত প্রশ্নব্যাংক "ক্লাইমেক্স প্রশ্নব্যাংক " থেকে বুঝে বুঝে জাবির বিগত বছরের ৫ বছরের প্রশ্নের সমাধান করতে হবে।

✅ এছাড়া জাবির B,E,G ইউনিটে সাধারণ গণিত থাকে। সব গ্রুপের শিক্ষার্থীকেই এই General Math উত্তর করতে হয়। জাবির B ইউনিট ( সমাজবিজ্ঞান অনুষদ, E ইউনিট ( BBA) , G ইউনিট ( IBA) তে পরীক্ষা দিতে চাইলে আপনাকে Math এর প্রিপারেশন নিতেই হবে। এর জন্য " ক্লাইমেক্স Math Solution " বইটা পড়ো।
.
✅ জাবির C, F , G ইউনিটে সকল প্রশ্ন ইংরেজি ভার্সনে হয় অর্থাৎ C, F , G ইউনিটের সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন ও ইংরেজি ভার্সনে হয় । এছাড়াও BUP ও কয়েকটি ইউনিটের সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন ইংরেজিতে হয় । ইংরেজি ভার্সন সাধারন জ্ঞানের বই GK Apps কিনতে পার। বইটি কুরিয়ারে নিতে যোগাযোগ কর 01400879979 নাম্বারে।
✅ সাধারন জ্ঞান এ ভালো করে এবং GK দিয়েই যারা চান্স পেতে চান, তাদের জন্য সবচেয়ে সহজ হবে জাবির C এবং I Unit এ চান্স পাওয়া। কারন C তে জিকে থাকবে ৪০ নাম্বারের এবং I তে থাকবে ৫০ নাম্বারের। তাই জিকে তে ৪০ এ ৩০ এবং ৫০ এ যদি ৪০ পাওয়া যায়, চান্স পাওয়া কোনো ব্যাপার ই না। সহজ কথা হলো এই যে C এবং I Unit এ চান্স পেতে হলে জিকে তে ভালো করতেই হবে।
আর জাবির জিকে যেহেতু আলাদা তাই বাজারের প্রচলিত জিকে বই পড়ে খুব একটা লাভ হবে না এবং এর জন্য সব পড়ার দরকার ও নেই। প্রশ্ন আসবে নির্দিষ্ট টপিকস থেকে এবং সেটা হবে বিষয়ভিত্তিক। তাই যদি জেনে বুঝে পড়তে পারের জিকের প্রস্তুতি মাত্র ২৫-৩০ দিনেই নেওয়া সম্ভব।
আর এজন্য C এবং I Unit এর জন্য জাহাঙ্গীরনগর বেসিক জিকে বইটি পড়লেই যথেষ্ট।
আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
.
১। সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীরা জাবির সকল ইউনিটে পরীক্ষা দিতে পারবে।
২। কমার্স এবং আর্টস ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীরা B, C, C1, E, F, G, I ইউনিটে পরীক্ষা দিতে পারবে।
৩। C ইউনিট এবং C1 ইউনিট দুইটা সম্পুর্ন আলাদা ইউনিট হিসেবে বিবেচিত হবে। এবং দুইটা ইউনিটে পৃথক পৃথক ভাবে ফর্ম তুলতে হবে।
৪। F এবং G ইউনিটের বাংলা ব্যতীত অন্যান্য বিষয়ের প্রশ্নপত্র ইংরেজীতে হবে, Climax জাবি ভর্তি সহায়িকা থেকে প্রশ্ন সম্পর্কে ধারনা নিতে পারেন।
৫। A, B, C1, E, D এবং H ইউনিটের প্রশ্ন বাংলায় হবে। C ইউনিটের প্রশ্ন ৫০% বাংলা ভার্সনে ও ৫০% ইংরেজি ভার্সনে হবে।
৬। B,E,G ইউনিটে জেনারেল ম্যাথ থেকে প্রশ্ন আসে।টেনশনের কারণ নাই।এই দুই টাইপের ম্যাথের জন্য বাজারের সবচেয়ে ভালো বই হচ্ছে Climax Math Solution এই বইটির প্রত্যেকটা ম্যাথ প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত স্লভ করলে ভালো করবেন ইনশাল্লাহ।
৭। G ইউনিটে ৭৫ মার্কের MCQ পরীক্ষা হবে। পরীক্ষার সময় ৫৫ মিনিট। পরবর্তীতে ৫ মার্কের ভাইভা হবে।
৮। C1 ইউনিটে ৮০ মার্কের MCQ পরীক্ষা হবে। পরীক্ষার সময় ৫৫ মিনিট। পরবর্তীতে ২০ মার্কের ব্যবহারিক পরীক্ষা নেয়া হবে।
৯। অন্যান্য সকল ইউনিটে ৮০ মার্কের MCQ পরীক্ষা হবে। পরীক্ষার সময় ৫৫ মিনিট।
১০। সকল ইউনিটের MCQ পরীক্ষায় মোট পাশমার্ক ৩৩%। তবে C ইউনিটে ইংরেজি পেতে হলে ইংরেজি তে ১৫ এর মধ্যে কমপক্ষে ৭ পেতে হবে।
১১। সাবজেক্ট ভিত্তিক আলাদা পাশমার্ক নেই। তবে C ইউনিটে ইংরেজি পেতে হলে ইংরেজি তে ১৫ এর মধ্যে কমপক্ষে ৭ পেতে হবে।
১২। G ইউনিটের Viva তে পাশমার্ক ৩৫%।
১৩। C1 ইউনিটের ব্যবহারিক পরীক্ষায় পাশমার্ক ৪০%।
১৪) ভর্তি পরীক্ষা শুধুমাত্র ক্যাম্পাসেই হয়। প্রতিটা ইউনিটকে কয়েকটা শিফটে ভাগ করে পরীক্ষা নেয়া হবে। সকল শিফটে প্রশ্ন আলাদা হয়। তবে প্রশ্নের স্ট্যান্ডার্ড সেইম থাকে।
১৫। ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না।
১৬। সাবজেক্ট চয়েজ, কোটা সংক্রান্ত সকল কাজ ভর্তি পরীক্ষার পর, মেরিট/ওয়েটিং লিস্টে নাম আসার পর।
১৭) প্রতি ভুল উত্তরের জন্য ০.২০ নাম্বার কাটা যাবে।
১৮) সকল ইউনিটের পরীক্ষা শুধু MCQ পদ্ধতিতে হবে। Written থাকবে না।
১৯) যারা আবেদন করবে তারা সবাই পরীক্ষা দিতে পারবে।
২০) নিয়মিত পড়াশুনা করলে জাবিতে চান্স পাওয়া কঠিন নয় তোমরা নিজেদের যাচাই করতে নিয়মিত মডেলটেস্টে অংশগ্রহন করবে।

সাধারণ জ্ঞানে দুর্দান্ত প্রস্তুতি সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিচ্ছুক স্টুডেন্টসদের জন্য:

 সাধারণ জ্ঞানে দুর্দান্ত প্রস্তুতি সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিচ্ছুক স্টুডেন্টসদের জন্য:

 

সাধারণ জ্ঞানে দুর্দান্ত প্রস্তুতি সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিচ্ছুক স্টুডেন্টসদের জন্য:
সাধারণ জ্ঞান টিপস
🔴বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ ও বিভাগ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সাধারণ জ্ঞান একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে যাদের স্বপ্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে তাদের জন্য ভর্তি পরীক্ষার একটা বড় অংশ থাকে সাধারণ জ্ঞান। মানবিক বিভাগ ও বিভাগ পরিবর্তনের ইউনিটে সাধারন জ্ঞান থেকে প্রশ্ন থাকবেই। তাই এ ব্যাপারে একটু বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।
🔵কি পড়তে হবে?
সাধারণ জ্ঞান পড়ার সময় ৪ টি অংশে প্রস্তুতি নিতে হয়-
♣সাম্প্রতিক তথ্য
❤বাংলাদেশ বিষয়াবলি
♣আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
❤মৌলিক বিষয়াবলি
🔯সাধারণ জ্ঞানের সিলেবাস মূলত অনেক বড়। আবার সব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সব টপিকস গুরুত্বপূর্ণ না। তাই সাধারণ জ্ঞানে সর্বোচ্চ কমন পেতে কৌশলী হওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
♣এক্ষেত্রে প্রথমেই ভর্তি পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ৫০/৬০টি Topic Select করে নিতে হবে।
৫০/৬০ টি টপিকস পড়তে হবে।
অপ্রাসঙ্গিক তথ্য বাদ দিতে হবে। যেমন: কিছু সাধারণ জ্ঞান আছে যেগুলো মূলত চাকরির জন্য Important কিন্তু ভর্তি পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ না। সেগুলো বাদ দিতে হবে। এক্ষেত্রে Expert বা অভিজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।
✳সাধারণ জ্ঞানে একবার দুর্দান্ত প্রস্তুতি নিলে যেকোন বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ কমন পাওয়া যাবে। এক্ষেত্রে নিচের Topic গুলো Important:
✴বাংলাদেশ বিষয়াবলি
এই অংশের গুরুত্বপূর্ণ Topic গুলো হচ্ছে-
♦ভৌগোলিক অবস্থান/সীমানা
♠পাহাড়-পর্বত/নদ-নদী
♦ব্রিটিশ শাসন
♠পাকিস্তানি আমল: ১৯৪৭-১৯৭১
♦মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের স্বীকৃতি
♠সংবিধান ও আইন
♦সরকার ব্যবস্থা ও রাজনীতি
♠অর্থনীতি ও বাণিজ্য
♦অর্থ ও ব্যাংক ব্যবস্থা
♠পরিবহন, যোগাযোগ ও বন্দর
♦শিল্প ও সংস্কৃতি
♠পুরাকীর্তি, প্রত্ন তত্ত্ব ও ভাস্কর্য
♦শিক্ষাব্যবস্থা
♠সংস্থা, প্রতিষ্ঠান ও কমিশন
♦জাতীয় দিবস
❇আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
এই অংশের গুরুত্বপূর্ণ Topic গুলো হচ্ছে-
🔶মহাদেশ পরিচিতি
🔷গুরুত্বপূর্ণ দেশ পরিচিতি- যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, 🔶রাশিয়া, চীন, জাপান, ইতালি, ভারত, পাকিস্তান, 🔷ইসরাইল, প্যালেস্টাইন, দক্ষিণ আফ্রিকা, কোরিয়া
🔶ভৌগোলিক উপনাম
🔷প্রণালী ও সীমারেখা
🔶বিখ্যাত স্থান ও বিরোধপূর্ণ দ্বীপ/অঞ্চল
🔷যুদ্ধ-বিগ্রহ
🔶বিখ্যাত চুক্তিসমূহ
🔷জাতিসংঘ
🔶আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ
🔷বিপ্লব ও গেরিলা সংগঠন
🔶দিবস
🔷পুরস্কার ও সম্মাননা
🔶বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব
✅এখন কথা হচ্ছে এগুলো টপিক্স কোথায় পাব বা কোন বই থেকে পড়ব ? তাদের উদ্দেশ্য অলরেডি জেনে গেছো #GK_power নামের একটা বই বাজারে আছে।সেখানে এই গুরুত্বপূর্ণ টপিক্স গুলো টেকনিক, ছবি এবং মানচিত্রসহ দেওয়া আছে যা তোমাকে মনে রাখতে অনেকাংশে সাহায্য করবে।বইটি সংগ্রহ করে উপরোক্ত টপিক্স গুলো পড়ে ফেলো।
🔯মৌলিক বিষয়
এই অংশের গুরুত্বপূর্ণ Topic গুলো হচ্ছে-
♥কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি
♠অর্থনীতি
♥ভূগোল
♠ধর্মীয় বিষয়
✅বিগত ১০ বছরের প্রশ্নব্যাংক একবার দেখে নেওয়া ভালো। এখান থেকে কমন পাওয়া যায়। GK power বইতে প্রতি টপিক্সের শেষে সেই টপিক্সের বিগত বছরের বিসিএস,পিএসসিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্ন গুলো দেওয়া আছে।
✳পরীক্ষার ৫ মাস আগে থেকেই সাম্প্রতিক তথ্য প্রবাহ সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে।
মনে রাখার উপায়:
✅সাধরণ জ্ঞান পড়ার সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো পড়ার কিছু সময় পরেই ভুলে যাবেন। এ সমস্যা দুর করতে কিছু কৌশল অবলম্বন করতে পারেন যদিও বারবার পড়ার কোনো বিকল্প নেই।
গুরুত্বপূর্ণ সাল/তারিখ ছাড়া অপ্রাসঙ্গিক সাল/তারিখ না পড়ার চেষ্টা করবেন। যেমন: পলশী যুদ্ধের সাল গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু নবাব সিরাজউদ্দৌলার জন্মসাল গুরুত্বপূর্ণ নয়।
🌠সংস্থা/সংগঠনের প্রতিষ্ঠা, সদর দপ্তর, সদস্য এবং কি উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত এ তথ্যগুলো পড়লেই চলবে।
যা পড়বেন তা অন্যের সাথে share করবেন বা নিজে নিজেই বলার চেষ্টা করবেন।
প্রতিদিন যেকটা Topic পড়বেন পরের দিন তা সম্পর্কে না দেখে লেখার অভ্যাস করুন।
ব্যক্তি সম্পর্কে পড়ার সময় তার জন্ম-মৃত্যু সালের দিকে গুরুত্ব না দিয়ে তার কর্ম সম্পর্কে তথ্য পড়ুন।
🔵সাম্প্রতিক তথ্য
ভর্তি পরীক্ষার ২/৩ মাস আগ থেকেই সমসাময়িক ঘটনা সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে। বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের আলোচিত সমালোচিত ঘটনাসমূহ থেকেই মূলত সাম্প্রতিক তথ্যমূলক প্রশ্ন আসে।

Follow Us Email