স্কুূলে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন পাঠ্যবই থেকে করার সিদ্ধান্ত, ফরমের মূল্য বৃদ্ধি

দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষায় এখন থেকে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) নির্ধারিত পাঠ্য বইয়ের বাইরে থেকে কোনো প্রশ্ন করা যাবে না। তবে প্রথম শ্রেণিতে আগের মতোই লটারির মাধ্যমে ভর্তি বাধ্যতামূলক। এ ছাড়া সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি ফরমের মূল্য ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৭০ টাকা করা হয়েছে। আগামী ২০১৮ শিক্ষাবর্ষে সরকারি-বেসরকারি স্কুলের জন্য নতুন ভর্তি নীতিমালা চূড়ান্তকরণ কমিটি এসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গতকাল রোববার (১২ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সভায় নতুন ভর্তি নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়। দু-একদিনের মধ্যেই তা পরিপত্রআকারে জারি করা হবে। সভায় ভর্তি নীতিমালা চূড়ান্ত হলেও ফরম বিতরণ ও পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারিত হয়নি। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরকে এটি চূড়ান্ত করতে বলা হয়েছে। ওদিকে ভর্তি নীতিমালা চূড়ান্ত হওয়ার আগেই বেশির ভাগ বেসরকারি বিদ্যালয় এরই মধ্যে ফরম বিতরণ শুরু করেছে।জানা যায়, বিভিন্ন বেসরকারি স্কুলে ভর্তি পরীক্ষায় ওপরের ক্লাসের বই থেকে প্রশ্ন করা হয়। এমনকি বিসিএস পরীক্ষার গাইড থেকেও প্রাথমিক-মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন করার অভিযোগ রয়েছে।মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের উপপরিচালক (মাধ্যমিক) এ কে মোস্তফা কামাল বলেন, ‘ভর্তি নীতিমালায় একটি বড় পরিবর্তন হচ্ছে। ভর্তি পরীক্ষায় অবশ্যই শিক্ষার্থীদের নিজের পাঠ্য বই থেকে প্রশ্ন করতে হবে। যেসব শ্রেণি পাস করেএসেছে, সেখান থেকে প্রশ্ন হতে হবে। যেমন—কোনো শিক্ষার্থী দ্বিতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হতে চাইলে তার জন্য প্রশ্ন করতে হবে প্রথম শ্রেণির পাঠ্য বই থেকে। ’কোনো শিক্ষার্থীর অভিভাবক বদলি হয়ে আসার ছয় মাস পর ভর্তির জন্য আবেদন করলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়। এ ছাড়া ডিসেম্বরের মধ্যেই ভর্তি ফরম বিতরণ ও ভর্তি পরীক্ষা শেষ করতে হবে। আর ক্লাস শুরু হবে আগামী বছরের ১ জানুয়ারি।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব চৌধুরী মুফাদ আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘২০১১ সালের পর থেকে সরকারি স্কুলে ভর্তি ফরমের দাম বাড়ানো হয়নি। এ জন্য মাউশির প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ভর্তি ফরমের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।স্কুূলে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন পাঠ্যবই থেকে করার সিদ্ধান্ত, ফরমের মূল্য বৃদ্ধি