এসএসসি পরীক্ষার শেষ মুহূর্তের পরামর্শ

আর কিছুদিন পরই শুরু হবে ২০১৮ সালের এসএসসি পরীক্ষা। পরীক্ষার আগ মুহূর্তের প্রস্তুতি এবং ভালো করার উপায় :-


১. যেহেতু পরীক্ষা খুব নিকটবর্তী তাই নতুন করে কোনো পড়া আয়ত্তে আনার চেষ্টা না করাই ভালো। কেননা এতে করে পুরাতন পড়া যা তোমরা পড়েছ তা ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে এবং পরীক্ষার পড়াশোনার পরিকল্পনায় গোঁজামিল লাগতে পারে, তাই যা তুমি পার তা ভালো করে বারবার রিভাইস কর।
২. মুখস্ত নয় বুঝে বুঝে সময় নিয়ে পড়ার চেষ্টা কর।
৩. যতটুকু সময় তুমি পড়ছ ততটুকু সময় নিবিড় মনোনিবেশ দিয়ে পড়।
৪. আনন্দ উৎফুল্ল নিয়ে পড়।
৫. একাধারে বেশি সময় পড়াশোনা না করে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে আবার পড়া শুরু কর।
৬. ধৈর্যধারণ করতে হবে।
৭. লক্ষ্যস্থির কর। (ধর ৩০ মিনিটে তুমি ১টি অধ্যায়ের ৫টি প্রশ্ন শেষ করবে)
৮. সময় ভাগ করে নিতে হবে (একটি বিষয়ের এক একটি অধ্যায়ের জন্য তুমি সময় নির্ধারণ করে নিতে পার)
৯. বাসার ঘড়িতে ঘণ্টায় ঘণ্টায় অ্যালার্ম রাখার ব্যবস্থা রাখ।
বোর্ড পরীক্ষার খাতায় কীভাবে উত্তর করলে অধিক নম্বর পাওয়া যাবে:-
১. প্রত্যেকটি প্রশ্নের উত্তরের জন্য সময় ভাগ করে নাও।
২. সঠিক নিয়ম মেনে সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লেখ।
( জ্ঞানমূলক প্রশ্ন চেষ্টা করবে এক লাইনের মধ্যে শেষ করার জন্য, অনুধাবন প্রশ্নে যেহেতু ২ নম্বর থাকে সেহেতু অবাঞ্ছিত তথ্য না লিখে জ্ঞানের অংশটুকুকে সঠিকভাবে প্রকাশ করার চেষ্টা করবে। আর প্রয়োগ এবং উচ্চতর দক্ষতায় অবশ্যই চেষ্টা করবে প্রথম লাইনে জ্ঞানের উত্তর লেখার জন্য এবং তার ওপর ভিত্তি করে উত্তর লিখবে)
৩. অপ্রয়োজনীয় বা অতিরিক্ত কিছু লিখার প্রয়োজন নেই।
৪. প্রশ্নের উত্তরের ধারাবাহিক মান বজায় রাখ।
৫. পরীক্ষার খাতাকে পরিপাটি রাখার চেষ্টা কর, লেখায় কাটাকাটি না করলেই ভালো।
৬. সবগুলো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা কর।
৭. গাণিতিক বিষয়সমূহে গাণিতিক প্রশ্নকে প্রাধান্য দিয়ে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা কর।
৮. উদাহরণ দিলে তা যেন বাস্তবিক হয় তা খেয়াল রাখ।
৯. নৈর্ব্যক্তিক মাথা ঠাণ্ডা রেখে বুঝে বুঝে উত্তর কর।
১০. রিভাইস দেওয়ার জন্য সময় রাখতে চেষ্টা কর।
পরিশেষে শিক্ষার্থীদের বলব সকল কিছুর ঊর্ধ্বে স্বাস্থ্য। তাই এই মুহূর্তে অবশ্যই শরীরের প্রতি বাড়তি যত্ন নিতে হবে।